Skip to main content

বেগুন

 


বেগুন

উদ্ভিদের প্রজাতি

বেগুন এক প্রকারের ফল যা সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অনেকের ধারণা এই উদ্ভিদের প্রজাতিগুলির উদ্ভব ভারতে হয়েছিল, যেখানে এটির ব্যাপক বৃদ্ধি হতে থাকে।[] আবার অনেকের মতে এর বৃদ্ধি আফ্রিকাতেও হতে পারে।[]

বেগুন / Eggplant / Aubergine
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ:উদ্ভিদ
শ্রেণীবিহীন:সপুষ্পক উদ্ভিদ
শ্রেণীবিহীন:Eudicots
শ্রেণীবিহীন:Asterids
বর্গ:Solanales
পরিবার:Solanaceae
গণ:Solanum
প্রজাতি:S. melongena
দ্বিপদী নাম
Solanum melongena
L.
প্রতিশব্দ

Solanum ovigerum Dunal
Solanum trongum Poir.
and see text

বেগুন ফুল

বেগুন গাছ প্রায় ৪০ থেকে ১৫০ সেমি দীর্ঘ হয়। পাতাগুলো ঘন এবং প্রায় ১০ থেকে ২০ সেমি দীর্ঘ ও ৫ থেকে ১০ সেমি প্রশস্ত হয়। বুনো বেগুন গাছ আরো বড় হতে পারে। বেগুনের ফুল সাদা হতে গোলাপী বর্ণের হয়। পাঁচটি পাপড়ি থাকে। বেগুনের ফল বেগুনী বা সাদা বর্ণের হয়। ফল অনেকটা লম্বাটে, নলাকৃতি, ডিম্বাকার হয়ে থাকে। ফলের ভিতরে অনেকগুলো নরম বীজ থাকে।

বেগুনের ব্যবহার ও গুণাগুণ

বীজতলা তৈরি

চারা উৎপাদন

সম্পাদনা

বেগুন চাষের জন্য চারা উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। শীতকালীন বেগুন চাষের জন্য শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি হতে আশ্বিন মাস এবং বর্ষাকালীন বেগুন চাষের জন্য চৈত্র মাস পর্যন্ত বীজ বপন করা যায়। বালি, কমপোষ্ট ও মাটি সমপরিমাণে মিশিয়ে বীজতলা তৈরি করতে হয়। সবল চারা পাওয়ার জন্য প্রথমে একটি বীজতলায় বীজ বুনতে হয়। গাছ গজানোর ৮-১০ দিন পর চারা তুলে দ্বিতীয় বীজতলায় রোপণ করতে হয়। এতে চারা সুগঠিত হয়। অতিরিক্ত পানিতে বা জলে বীজ নষ্ট হয়ে যায়।

জমি তৈরি ও চারা রোপণ

সার প্রয়োগ

রোগ-বালাই

সেচ ও নিষ্কাশন

চাষের সময় পরিচর্যা

বেগুন সংগ্রহ

উৎপাদিত ফসলের পরিমাণ

বিপণন

চিত্রশালা

তথ্যসূত্র

Comments

Popular Posts